websitebd
যে কারণে ডাক্তাররা পার্সোনাল ওয়েবসাইট মেইক করছেন
/storage/media/BrandingForDoctor.mp4
একটি ওয়েবসাইট বিশ্বাস গড়ে
সম্পর্ক বাঁধে, সহজ করে যোগাযোগ,
পরিচিতি, অভিজ্ঞতা বা চিকিৎসা সেবা
সময়, ঠিকানা সবকিছুই গুছানো হোক৷
যে প্রথম ১০ জন আমাদের কাছে আস্থা রেখেছেন
কন্টেন্ট ছাড়া শেখাবে কে, স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা? আপনি নেই যেখানে, ভুল তথ্য দেবে অন্যেরা! চেম্বার আসার পূর্বেই যদি থাকে ডাক্তার নিয়ে সুধারণা, সঠিক সেবা নিতে আর রোগীর হবে না বিড়ম্বনা।
ডিজিটাল যুগে ডাক্তারদের জন্য ওয়েবসাইট না থাকার ১০ টি ঝুঁকি

বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থার অভাব
রোগীরা সাধারণত অনলাইনে ডাক্তার খোঁজার আগে তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। যদি কোনো ডাক্তার ওয়েবসাইট না রাখেন, তাহলে তার প্রতি রোগীদের আস্থা কমে যেতে পারে ।

নতুন রোগী পাওয়া কঠিন হয়ে যায়
গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে অনেক রোগী ডাক্তার খোঁজেন। ওয়েবসাইট না থাকলে ডাক্তাররা এই রোগীদের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন।

অনলাইন সুনাম নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন
ডাক্তারদের সম্পর্কে তথ্য বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট (যেমন Google বা অন্যান্য লিস্টিং সাইট) এ ছড়িয়ে থাকে, যা অনেক সময় ভুল বা অসম্পূর্ণ হতে পারে। নিজের ওয়েবসাইট না থাকলে এই তথ্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না।

রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য দেওয়ার সুযোগ কমে যায়
ওয়েবসাইট থাকলে ডাক্তাররা তাদের বিশেষজ্ঞতা, চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য, স্বাস্থ্য পরামর্শ ও সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন, যা রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।

রোগীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ কমে যায়
অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং, ইমেইল বা চ্যাট সাপোর্ট দেওয়ার সুযোগ কমে যায়, ফলে রোগীরা অন্য ডাক্তারদের কাছে যেতে পারেন যারা এসব সুবিধা দেন।

ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং ও পার্থক্য প্রদর্শনের সুযোগ কমে যায়
ডাক্তারদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, রোগীর রিভিউ ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরার জন্য একটি ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে সাহায্য করে।

সোশ্যাল মিডিয়া ও তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্মের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা
যদিও ফেসবুক বা লিংকডইন প্রোফাইল গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি ওয়েবসাইটের বিকল্প নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদম পরিবর্তন হতে পারে, অ্যাকাউন্ট রেস্ট্রিক্ট হতে পারে, তাই ডাক্তারদের নিজেদের ওয়েবসাইট থাকা উচিত।

ডিজিটাল মার্কেটিং চালানো কঠিন হয়ে যায়
গুগল অ্যাডস বা ফেসবুক অ্যাডসের মাধ্যমে রোগীদের কাছে পৌঁছানো সহজ হয় যদি একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট থাকে। ওয়েবসাইট ছাড়া এসব ক্যাম্পেইন কার্যকরভাবে চালানো কঠিন।

টেলিমেডিসিন ও অনলাইন কনসালটেশন সুবিধা কমে যায়
বর্তমানে অনেক রোগী অনলাইন কনসালটেশন পছন্দ করেন। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডাক্তাররা সহজেই এই সুবিধা দিতে পারেন।

রোগীর তথ্য ও যোগাযোগের মালিকানা থাকে না
বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলে ডাক্তারদের রোগীদের ইমেইল ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করা কঠিন হয়। কিন্তু নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে রোগীর ডাটাবেস সংরক্ষণ ও ফলো-আপ করা সহজ হয়।
ওয়েবসাইট হয়ে উঠুক
ডাক্তারের ডিজিটাল ঠিকানা
ব্র্যান্ডিং ফর ডকটরস আছে
আর নেই কোন ভাবনা!
ওয়েবসাইট থাকার সুবিধা

আপনার এক এসিস্টেন্ট ঘুমালেও, আরেকজন জাগ্রত থাকবে ।
আপনার কি এমন একজন এসিস্টেন্ট দরকার ? যাকে কিনা মাসে মাসে স্যালারি দিতে হয় না । যে কিনা ঘুমায় না । দুপুর ১ টা কিংবা রাত ১ টা । ২৪ টা ঘন্টা পেশেন্ট এর জন্য জাগ্রত থাকে । পেশেন্টকে আপনার চিকিৎসা সমূহ কি কি জানিয়ে দেই । আপনি কখন কোথায় বসেন ইত্যাদি সব তথ্য দিবে । তাহলে, আপনার ওয়েবসাইটকে এসিস্টেন্ট বানিয়ে নিন ।

সুস্থতার গল্পগুলো ফেসবুকের মত করে পোস্ট করা যাবে ওয়েবসাইটেও
আপনার অনেক পেশেন্ট সুস্থ হচ্ছে । আপনি চাইলে মোবাইল থেকে তাদের ফিডব্যাক গুলো আপনার ওয়েবসাইটে ফেসবুকের মত পোস্ট করতে পারেন । যেমন অপারেশন এর পূর্বে এক্স-রে ফিল্ম এবং পেশেন্ট এর কন্ডিশন ছবি তুলে রাখলেন । তারপর, পেশেন্টকে ট্রিট্মেন্ট করার পরের অবস্থা ছবি তুলে রাখলেন । এতে পূর্বের ও পরের অবস্থা ক্লিয়ারলি পাওয়া যাবে ।

ওয়েবসাইট আপনার ইনফরমেশনাল ডেস্ক হিসেবেও কাজ করবে
আপনি কোন কোন জায়গাই চেম্বার করেন, কীভাবে যাবে তার কনফিউশন দূর করার জন্য গুগল ম্যাপের লিংক এর মাধ্যমে পথ দেখিয়ে দেওয়া যায় সহজে । আপনার যদি একটা ইনফরমেশনাল ডেস্ক থাকত তাহলে অনেক ভালো হত । আপনার ওয়েবসাইটকে ইনফরমেশনাল ডেস্ক বানাতে পারেন । তাতে পেশেন্টের ভোগান্তিও কমবে ।

ওয়েবসাইটকে বানাতে পারবেন আপনার ডিজিটাল ব্রশিউর
পেশেন্টরা অনেক সময় আপনার চেম্বারে বসে থাকে । তাদের হাতে যদি ব্রশিউর তুলে দেয়া যায় তারা পড়ত । তাদের সময়ও কাটতো । এছাড়া, আপনি যে স্পেশাল প্রসিডিওর এর মাধ্যমে চিকিৎসা করতে চান তা বিস্তারিত বলার সময় ও সুঝোগ হয়ে উঠতে না পারলে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে পড়তে বলতে পারেন । এভাবে, প্রিন্টেড ব্রশিউরে খরচ না করে আপনার ওয়েবসাইটকে ডিজিটাল ব্রশিউর বানাতে পারেন ।

সুস্থতার গল্পগুলো জানাতে পারবেন সহজে
সুস্থতার গল্প’ নামে আপনার যদি একটা ওয়েবপেইজ থাকে । বা ওয়েবসাইটে একটা সেকশন থাকে, তাহলে কেমন হত ? যেখানে নিয়মিত আপডেট করা যেত পেশেন্টের এর গল্পগুলো ।

আপনার নিজের বায়োগ্রাফি ওয়েবসাইটে থাকবে
আপনার সম্পর্কে কতজন জানে । আপনার যদি একটা এবাউট সেকশন থাকত বা ওয়েবপেইজ থাকত তাহলে সেখানে আপনার শৈশব, কৈশর থেকে থেকে নিয়ে আপনার স্বপ্নগুলো আপনি তুলে ধরতে পারবেন সুন্দর করে । আর, পড়াশোনা, সম্মাননা, ইত্যাদি তো থাকছেই ।

ওয়েবসাইটকে গড়ে তুলুন গুগলের আত্মীয়
আপনি হয়ত খেয়াল করেছেন । গুগলে কোন কিছু সার্চ করলে ওয়েবপেইজ দেখায় । ওয়েবপেইজ হচ্ছে গুগলের আত্মীয় । আপনার সম্পর্কে কেও গুগলে সার্চ করলে কি খুঁজে পাবে ? আর যদি খুঁজে না পায় ব্যপারটা একটু খারাপ দেখায়, তাই না ?

প্রিমিয়াম ডিজাইন করতে পারবেন ওয়েবসাইটকে
সোস্যাল মিডিয়াতে মনের মত করে পোস্ট, ভিডিও সাজিয়ে রাখা যায় না । ওদের ফিক্সড ফরমেটে সাজাতে হয় । যেমন- আপনি যখন ফেসবুকে পোস্ট করেন, তখন ফন্টসাইজ ছোট-বড়, ফন্ট কালার, ফন্ট স্টাইল কোন কিছু পরিবর্তন করতে পারছেন না । ওয়েবসাইট থাকলে আপনি অনেক গুছিয়ে সাজিয়ে রাখতে পারেন ।

ওয়েবসাইটকে ছোট খাটো সার্চ ইঞ্জিন বানাতে পারবেন
কোন একজন সম্ভাব্য পেশেন্ট আপনার চিকিৎসা সম্পর্কে জানার জন্য বা আপনার একটি স্পেসিফিক আর্টিকেল পড়ার জন্য ওয়েবসাইটের ভেতর খুঁজতে গেলে সময় লাগতে পারে । ওয়েবসাইটের ভেতর সার্চ বার থাকলে সেখানে সার্চ করে খুঁজে পাবেন কাঙ্ক্ষিত তথ্য ।

ওয়েবসাইটকে বানিয়ে নিতে পারবেন ডিজিটাল ভিজিটিং কার্ড
ডিজিটাল ভিজিটিং কার্ড গুলোকে স্ক্যান করলে আপনার কন্টাক্ট ইনফরমেশন টাইপ না করলেও সেভ হয়ে যাবে খুব সহজে । এই ফিচার্স আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকলে সেখানেও করা সম্ভব ।

ওয়েবসাইটকে বানাতে পারবেন আপনার ফটো গ্যালারি
আপনার অনেক প্রফেশনাল ইভেন্ট, কোর্স, মেডিকেল লাইফে ইত্যাদিতে পার্টিসিফেন্ট করার স্মৃতিগুলো ফ্রেমের মত ফটো গ্যালারিতে রাখুন ।

ভিডিওগুলো অটোমেটিক আপলোড হবে আপনার ওয়েবসাইটে
আপনার ভিডিওগুলো রেগুলারলি ওয়েবসাইটে আপলোড দিতে হবে না । যেমন- ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করলে এটি অটোমেটিক ওয়েবসাইটে আপলোড হয়ে যাবে ।

একটা কিউ আর কোড স্ক্যান করলে চলে আসবে সকল সোশ্যাল মিডিয়া
সোস্যাল মিডিয়াগুলোতে ফলোয়ার, সাবস্ক্রাইভার বাড়ানোর জন্য অনেক কষ্টসাধ্য । স্ক্যানের একটা সুবিধা হচ্ছে টাইপ না করে, অনলাইনে না খুঁজে সোস্যাল মিডিয়াগুলো ভিজিট করা যায় । আপনার যদি চারটা সোস্যাল মিডিয়া থাকে তাহলে আপনার এমন চারটা সোস্যাল কিউ আর কোড না করে একট কিউ আর কোড থাকলে ভাল হয় । যেটা ব্রাউজ করলে সব সোশ্যাল লিঙ্কগুলো থাকবে ।

আপনার সোস্যাল প্রোফাইলে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিতে পারেন
প্রফেশনাল ফেসবুক পেইজ, ইউটিউব চ্যানেলের খুলতে গেলে ওয়েবসাইটের অংশটা আমরা স্কিপ করে চলে যায় । এতে ফেসবুক পেইজ, ইউটিউব চ্যানেল আর প্রফেশনাল হয়ে উঠে না । স্কিপ না করে ওয়েবসাইটের এড্রেসটা বসালে বিষয়টা অনেক চমৎকার দেখায় ।

গুগল বিজনেস প্রোফাইলে লিঙ্ক দিতে পারবেন
অনেক ডাক্তারের গুগল বিজনেস প্রোফাইল নেই । প্রফেশনাল গুগল মাই বিজনেস খুলতে গেলে ওয়েবসাইট এর এড্রেস্টা বসানো উচিৎ ।

সোস্যাল গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিওতে ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিন ।
প্রায় সময় আপনি ফেসবুকে ভিডিও দিচ্ছেন বা ইমেজ ডিজাইন করে দিচ্ছেন । এখানে ওয়েবসাইট এর ঠিকানা বসিয়ে দিলে ব্র্যান্ডিং ভ্যালু বৃদ্ধি পায় ।

পেশেন্টকে অনলাইনে পেমেন্ট এর সুঝোগ করে দিন ।
বর্তমানে অনেক পেশেন্টর কাছে ক্যাশ থাকে না । বা ভাংতি থাকে না । ।অনলাইনে সহজে পেমেন্ট করা যাবে । এছাড়া পেমেন্টের মাধ্যমে সিরিয়াল বুকিং দিলে পেশেন্ট এর আশা সম্পূর্ণ নিশিত হয়ে যায়।

পেশেন্টের জন্য ইনফরমেশনাল ব্লগ কন্টেন্ট
ডাক্তারের প্রতি আস্থা তৈরি করার জন্য এডুকেশনাল কন্টেন্ট এর অনেক প্রয়োজন । বিশেষ করে, তার নিজের ট্রিটমেন্ট সম্পর্কিত । গুগলে ছবি বা ভিডিও দেখে না । সে লেখা পড়তে পারে ।

অনলাইনে নিতে পারবেন এপয়েন্টমেন্ট
অনলাইনে বা অফলাইনে যেভাবেই রোগী দেখেন না কেন, এপইয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারবেন অনালাইনেই ।

ফেসবুক বুস্টিং এর খরচ কমাতে পারবেন
ফেসবুককে যদি আপনার টার্গেটেড আডিয়েন্সকে তাদের হাতে তুলে দিতে পারেন তাহলে আপনার ফেসবুক খরচ কমবে । যেমন ফেসবুককে বলে দিলেন যে, এরাই আমার কাস্টোমার যারা আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করেছে বা যারা আমার ব্লগ ৫ মিনিট ধরে পড়েছে । এছাড়া, আরো অনেক উপায়ে বুস্টীং খরচ কমানো যাবে যা বিস্তারিত আরেকটা ব্লগে দেয়া আছে ।

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন গুলো ট্র্যাকিং করা যাবে ।
আপনি নানান ভাবে বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন । তবে, কোন বিজ্ঞাপন থেকে আপনি বেশি আউটফুট পাচ্ছেন তা জানার জন্য ওয়েবসাইটের বিকল্প নেই ।

গুগল রিভিও প্লেস করা যাবে
গুগলে কেও রিভিও দিলে সে রিভিও অটোমেটিক্যালি ওয়েবসাইটে ভিজিবল হবে । এতে পেশেন্টের ট্রাস্ট বৃদ্ধি পায় ।

ফ্রি ক্যম্পেইন ম্যনেজমেন্ট
আপনি মাঝে মধ্যে ফ্রি ক্যম্পেইন এর মাধ্যমে রোগিদের সেবা দিতে চান । ওয়েবসাইট থাকলে ক্যম্পেইনের বিস্তারিত সেখানে দিতে পারতেন । প্রয়োজনে শর্ট কোড ব্যবহার করেও ক্যাম্পেইন রান করলে সেটা থেকে ভালো আউটপুট পাওয়া যাবে ।

আপনার রিসার্চ পেপার সুন্দরভাবে প্লেসমেন্ট করা যাবে ।
রিসার্চ পেপার বা থিসিস পেপার একজন ডাক্তারের ক্রেডিভিলিটি অনেক বৃদ্ধি করে । রিসার্চ পেপার এর জন্য যদি আলাদাভাবে একটা সেকশন বা ওয়েবপেইজ করা যায় তাহলে অনেক চমৎকার হবে ।

চেম্বার পরিবর্তন হলেও চেম্বার এর ঠিকানা খুব দ্রুত আপডেট করতে পারবেন ।
সংগত কারণে চেম্বার পরিবর্তন করতে হয় । চেম্বারের আপডেট খুব দ্রুত ওয়েবসাইটে দেয়া যাবে । এমনকি গুগল ম্যাপের লোকেশন সহ ।

প্রফেশনাল ইমেইলের এর সুবিধা নেয়া যাবে
বিজনেস ইমেইল আলাদা একটু পরিচিতি বহন করে । প্রফেশনালিজমকে আরেকটু ত্বরান্বিত করে । এছাড়া রিসার্চের উদ্দ্যেশ্যে বা কোন ওয়েব এড্রেসে সাইনআপ করতে গেলে প্রফেশনাল ইমেইল এর প্রয়োজন হয় । যেমন- researchgate.com ওয়েবসাইটে আপনি প্রফেশনাল ইমেইল ছাড়া সাইন আপ করতে পারবেন না ।
পার্সোনাল ডাক্তারদের ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট
pediorthobd.com clinicadentalvitalcr.com Dentavac.com doctorrafi.com draknomann.com drsaifmahmud.com drosmanhipknee.com drnazirortho.com driftekharalam.com drarifortho.comপ্রাইসিং - ৩৫০০০ টাকা
ফ্রী হিসেবে থাকবে-
১) ডোমেইন ও হোস্টিং - ২ বছর ।
২) 30% ডিস্কাউন্ট কুপন - Doctor
3) Blog Post-3
4)ওয়েবসাইটের জন্য গ্রাফিক্স সাপোর্ট
5) সোস্যাল মিডিও অডিট ও কিভাবে গ্রোথ করা যাবে সে বিষয়ে ৩০ মিনিট ওয়ান টু ওয়ান কন্সালটেশন
6) গুগল মাই বিজনেস একাউন্ট ওপেন করা
7) এছাড়া, কিভাবে পেশেন্ট আনার জন্য ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিং করা দরকার তার আল্টিমেট গাইডলাইন এবং প্রুভেন ১১ টি স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ।
৪) একটা ফুল ভিভিও এডিট করা ।
9) বুষ্টিং এর জন্য সোস্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন
10) ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ও প্রিন্ট করা ।
[product_checkout product_id="2222"]
Call: 01896132728 Whatsapp: 01896132728